মানসম্পন্ন রাবার গ্লাভস দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য এবং সহজে ছিঁড়ে যায় না।রান্না, ক্লিনিং, চিকিৎসা বা অন্যান্য কাজে হাতকে দূষিত হওয়া থেকে বাঁচায়।
🔸 💡 বিভিন্ন উপাদানে তৈরি – ল্যাটেক্স, নাইট্রাইল, ভিনাইল এবং সিন্থেটিক রাবার দিয়ে তৈরি হয়।
🔸 🧪 বিভিন্ন ধরণের প্রতিরোধ ক্ষমতা – নির্দিষ্ট গ্লাভস নির্দিষ্ট রাসায়নিক ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কার্যকর।
🔸 📏 বিভিন্ন আকার ও ডিজাইন – ছোট, মাঝারি ও বড় সাইজে পাওয়া যায়, কিছু গ্লাভস ঢিলা, কিছু ফিটিং হয়।
🔸 🖖 গ্লিপ ও টেক্সচারড সারফেস – কিছু গ্লাভসের হাতের তালুতে গ্রিপ বা টেক্সচার থাকে, যা ধরার ক্ষমতা বাড়ায়।
🔸 🔄 ডিসপোজেবল ও রিইউজেবল অপশন – কিছু গ্লাভস একবার ব্যবহারযোগ্য (ডিসপোজেবল), আবার কিছু ধুয়ে বারবার ব্যবহার করা যায়।
🔸 🌡️ তাপ সহনশীলতা – কিছু রাবার গ্লাভস উচ্চ তাপমাত্রায় কাজ করতে সক্ষম, যা রান্না বা শিল্প কারখানার জন্য উপযুক্ত।
🔸 🎨 বিভিন্ন রঙ ও উপযোগিতা – বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা রঙের গ্লাভস পাওয়া যায়, যেমন সাদা (চিকিৎসা), কালো (শিল্প), নীল (রান্নাঘর) ইত্যাদি।
🔹 🛡️ হাতকে সুরক্ষা দেয় – জীবাণু, রাসায়নিক, ময়লা, তেল ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ থেকে হাতকে রক্ষা করে।
🔹 🧼 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে – রান্না, ক্লিনিং, চিকিৎসা বা অন্যান্য কাজে হাতকে দূষিত হওয়া থেকে বাঁচায়।
🔹 💦 জল ও রাসায়নিক প্রতিরোধী – পানি, এসিড, তেল, ডিটারজেন্ট এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
🔹 🙌 মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী – মানসম্পন্ন রাবার গ্লাভস দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য এবং সহজে ছিঁড়ে যায় না।
🔹 🖐️ হাতের সহজ নড়াচড়া বজায় রাখে – নমনীয়তা থাকায় হাত স্বাভাবিকভাবে নাড়ানো যায় এবং কোনো অস্বস্তি হয় না।
🔹 🦠 সংক্রমণ প্রতিরোধ করে – হাসপাতাল, ল্যাব, রান্নাঘর বা পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে সংক্রমণ কমায়।
🔹 🌱 পরিবেশবান্ধব বিকল্প পাওয়া যায় – কিছু রাবার গ্লাভস বায়োডিগ্রেডেবল, যা পরিবেশের জন্য নিরাপদ।